শুক্রবার জেনেভায় ইউরোপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠক করেন। আলোচনাটি তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চললেও কোনো বড় সাফল্য পাওয়া যায়নি।
তবে ইউরোপীয় নেতারা মনে করছেন, ইরান এখন আগের চেয়ে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে এবং এমন কিছু বিষয়ে আলোচনা করতে রাজি, যেগুলো আগে আলোচনায় ছিল না।
তারা সবাই জোর দিয়ে বলেছেন, ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ফিরতে হবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, তিনি ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে আবার আলোচনায় বসতে প্রস্তুত, তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কথা তখনই চিন্তা করবেন যদি ইসরায়েলি হামলা বন্ধ হয় এবং, তার ভাষায়, হামলাকারীকে জবাবদিহির আওতায় আনা হয়।
ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সরাসরি জেনেভায় আসেন, তিনি জানান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি বাস্তব এবং আসন্ন, তবে কূটনীতির পথ এখনো খোলা আছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, এটা একটি “বিপজ্জনক মুহূর্ত”।
ইউরোপীয় শীর্ষ কূটনীতিকদের বার্তা ছিল, শুধু আলোচনার মাধ্যমেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির দীর্ঘমেয়াদি সমাধান এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা সম্ভব, যুদ্ধের মাধ্যমে নয়।























