যে আমলে রিজিকের দরজা খোলে

 

রিজিক হলো বান্দার ওপর মহান আল্লাহর অনুগ্রহ। মহান আল্লাহ অগণিত রিজিক দ্বারা তাঁর বান্দাদের প্রতিপালন করেন। শুধু টাকা-পয়সা, খাওয়াদাওয়াকেই রিজিক বলা হয় না। রিজিকের পরিধি অনেক বিস্তৃত। ক্ষেত্রবিশেষে এর স্তুরও ভিন্ন ভিন্ন হয়। এর নিয়ন্ত্রক মহান রাব্বুল আলামিন। নিম্নে এমন কিছু আমল তুলে ধরা হলো, যেগুলোর মাধ্যমে রিজিকের দরজা খোলে।

তাকওয়া : যেসব আমলে রিজিকের দ্বার খোলে, তার মধ্যে অন্যতম আমল হলো, তাকওয়া। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ বের করে দেন। এবং তিনি এমন উত্স থেকে তার রিজিকের ব্যবস্থা করে দেন, যা সে কল্পনাও করে না।’ (সুরা : তালাক, আয়াত : ২-৩)

আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করা : আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করলেও রিজিকে বরকত আসে। কারণ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করলে মহান আল্লাহ এর বিনিময় দিয়ে দেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘বলো, নিশ্চয়ই আমার রব তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার প্রতি ইচ্ছা তার রিজিক প্রশস্ত করেন এবং সংকুচিত করেন। আর তোমরা যা কিছু আল্লাহর জন্য ব্যয় করো তিনি তার বিনিময় দেবেন এবং উত্তম রিজিকদাতা।’ (সুরা : সাবা, আয়াত : ৩৯)

ইস্তেগফার : ইস্তেগফারের উপকারিতা সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর বলেছি, ‘তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও; নিশ্চয়ই তিনি পরম ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত করবেন এবং তিনি তোমাদের সমৃদ্ধ করবেন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে এবং তোমাদের জন্য স্থাপন করবেন উদ্যান ও প্রবাহিত করবেন নদী-নালা।’ (সুরা নুহ, আয়াত : ১০-১২)

আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা : মহানবী (সা.) এ কাজ রিজিক বৃদ্ধির অন্যতম আমল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। আনাস (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার রিজিকের বৃদ্ধি ও দীর্ঘজীবী হতে চায় সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক অটুট রাখে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১৬৯৩)

আল্লাহর ওপর ভরসা করা : মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘আর যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, আল্লাহ অবশ্যই তার উদ্দেশ্য পূরণ করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রত্যেক জিনিসের জন একটি সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন।’ (সুরা : তালাক, আয়াত : ৩)

দ্বিনি ইলম অর্জনকারীদের জন্য খরচ করা : যারা দ্বীনি ইলম অর্জন করছে, তাদের জন্য খরচ করাও রিজিক বৃদ্ধির অন্যতম আমল হতে পারে। আনাস ইবনে মালিক (রা.) বলেন, নবী (সা.)-এর যুগে দুই ভাই ছিল। তাদের একজন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দরবারে উপস্থিত থাকত এবং অন্যজন আয়-উপার্জনে লিপ্ত থাকত। কোনো একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে সেই উপার্জনকারী ভাই তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করল। তিনি [নবীজি (সা.)] তাকে বলেন, হয়তো তার অসিলায় তুমি রিজিকপ্রাপ্ত হচ্ছ।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৩৪৫)

দুর্বল ও দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো : নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা দুর্বলদের (দোয়ার বরকতে) সাহায্যপ্রাপ্ত ও রিজিকপ্রাপ্ত হ

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

Loading...
আরো পড়তে পারেন:  বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বড় হ্যাকার কে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *