সাজানো নির্বাচনে আর যাবো না: তৈমূর

তৃণমূল বিএনপি’র মহাসচিব এডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, নির্বাচন হয়েছে সরকার বনাম সরকার। দেশ একদলীয় শাসনের দিকে যাচ্ছে। আমরা সাজানো নির্বাচনে আর যাবো না। আমাদের সকল প্রার্থীরা ঢাকা আসবে। তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রধানমন্ত্রীকে রিপোর্ট দেবো।

বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অভিযোগ প্রদান শেষে একথা বলেন তিনি। তার নির্বাচন করায় রূপগঞ্জের চনপাড়ায় ফাতেমা বেগম নামে এক কর্মীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে সন্ত্রাসী সমসের ও রীতা বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

এ সময় তৈমূর বলেন, ‘এই দেশে আমাদের প্রজন্মের পক্ষে সুষ্ঠু রাজনীতি করা সম্ভব না। আগামী প্রজন্মও পারবে না। যদি সম্ভব হয় তৃতীয় প্রজন্ম এসে দেশটাকে ঠিক করতে পারে। কারণ যারা সরকারে আছে তারা মনে করে, নির্বাচনে হেরে গেলেই তাদের জেলে যেতে হবে। বাংলাদেশে সিস্টেমই এইটা।

যে ক্ষমতায় যায় তার প্রতিপক্ষকে জেলে দিয়ে দেয়। সে কারণেই ওরা নির্বাচন কুক্ষিগত করে। নির্বাচন কমিশনের কোনো ক্ষমতা নেই। প্রশাসনও সরকারের আজ্ঞাবহ থাকে, কারণ সংবিধানের ৪৮ এর ‘গ’ ধারা অনুযায়ী এই দেশের একমাত্র ক্ষমতার মালিক প্রধানমন্ত্রী। সিইসি’র সচিবের বক্তব্য আপনারা শুনেছেন, তার বক্তব্যে কী মনে হয় দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে? তিনি তো বলছেন, ডিসিদের কাছে তো মেসেজ চলে গেছে। সিইসি থেকেই সব প্রকাশ পেয়ে গেছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা সবসময় রাজপথে ছিলাম। বাকি জীবনও আমাকে রাজপথেই থাকতে হবে। যখন চোখের সামনে দেখলাম এই ব্যারিস্টার সুমনও বলেছেন সরকার বনাম সরকার নির্বাচন। এটা তাদের মুখেরই কথা। রূপগঞ্জে সব ভূমিদস্যু আমার বিরুদ্ধে একাট্টা ছিল। তারা মনে করছে, তৈমূর আলম খন্দকার এলে তাকে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো না। কারণ শুরু থেকেই আমি ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে ছিলাম। দুঃখজনক ব্যাপার হলো, যাদের জমিজমা নিয়ে গেল তারাও তো ভয়ে-আতঙ্কে আর এগিয়ে এলো না। রূপগঞ্জের দু’টি সন্ত্রাসী বাহিনী শমসের ডাকাত ও রীতা মেম্বার। আমরা বারবার নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে বলে এসেছি। আমাদের কাছে ডকুমেন্ট আছে। আমরা বলেছি- এ রকম সিরিজ মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনা হোক। কিন্তু আমরা কোনো প্রতিকার পাইনি। নির্বাচনের দিন চনপাড়ায় রেজাল্ট ঘোষণার পর শমসের বাহিনী ও রীতা বাহিনী আমার কর্মীদের বাড়িঘর লুটপাট করে। আমি আজ এই পরিবারটিকে নিয়ে এসপি অফিসে এসেছি। যেহেতু তারা আমার নির্বাচন করতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

আরো পড়তে পারেন:  বাংলাদেশে হাতি পালনের লাইসেন্স কেন বন্ধ করা হল? এখন কী হবে?

Source link

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

Loading...
আরো পড়তে পারেন:  'স্মার্ট বাংলাদেশ' এবং দেশের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কেমন হলো মন্ত্রিসভা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *