এই সাইটের স্বাস্থ্য বিভাগের সকল তথ্য প্রকাশিত হয়েছে শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞানার্জন ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প নয়। রোগ নির্নয় ও তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া অবশ্যই বাঞ্ছনীয়।

 

ভারতে বার্ড ফ্লু আতঙ্ক, মাংস-ডিম নিয়ে যা বলছে ডব্লিউএইচও

  ভারতে একদিকে করোনার প্রকোপ, অন্যদিকে নতুন আতঙ্ক 'বার্ড ফ্লু'। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে দেশটির বেশ কিছু রাজ্যে 'বার্ড...
Read More
ভারতে বার্ড ফ্লু আতঙ্ক, মাংস-ডিম নিয়ে যা বলছে ডব্লিউএইচও

দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়ছে করোনার নতুন ধরন

যুক্তরাজ্যে পাওয়া করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটি বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে শনাক্ত হয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলোর বাইরে ভাইরাসের নতুন এই ধরন পাওয়া গেছে...
Read More
দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়ছে করোনার নতুন ধরন

নতুন করোনায় আক্রান্ত শিশুরা

  দেখা দিয়েছে করোনার নতুন স্ট্রেইন। আতঙ্কের কথা হচ্ছে এতে বেশি সংক্রমিত হচ্ছে শিশুরা। চিকিৎসকরা বলছেন, শীতে ঢাকার বাইরে যাওয়াসহ...
Read More
নতুন করোনায় আক্রান্ত শিশুরা

দেশে প্রথমে টিকা পাবেন ১৮ শ্রেণির ৫২ লাখ মানুষ

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গুরুত্ব বিবেচনা করে প্রথম পর্যায়ে ১৮ শ্রেণির ৫২ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। এর পর পর্যায়ক্রমে অন্যরা...
Read More
দেশে প্রথমে টিকা পাবেন ১৮ শ্রেণির ৫২ লাখ মানুষ

করোনার নতুন প্রজাতি : যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বহু দেশের ফ্লাইট বাতিল

করোনা ভাইরাসের নতুন প্রজাতির সংক্রমণ ঠেকাতে ইউরোপের অন্তত ১০টি দেশ যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আরও কয়েকটি দেশ...
Read More
করোনার নতুন প্রজাতি : যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বহু দেশের ফ্লাইট বাতিল

বিশ্বে করোনার নতুন ধরণ ভয় বাড়াচ্ছে

করোনা ভাইরাসের কারণে বিশ্বের অবস্থা কাহিল। দেশে দেশে আবারও নতুন করে করোনার দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। যার ফলে অনেক...
Read More
বিশ্বে করোনার নতুন ধরণ ভয় বাড়াচ্ছে

ফাইজারের টিকা নিয়ে অজ্ঞান মার্কিন নার্স

ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মহামারি ঠেকাতে জরুরি চিকিৎসায় ফাইজারের করোনা টিকা নেওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে বসে অজ্ঞান হয়ে পড়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসির হাসপাতালে এক নার্স।...
Read More
ফাইজারের টিকা নিয়ে অজ্ঞান মার্কিন নার্স

টিকার তালিকায় নাম তুলতে হুড়োহুড়ি

বাংলাদেশে কবে আসবে টিকা, কবে কে পাবে—সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে দেশের মানুষ। যদিও মধ্য জানুয়ারির দিকেই দেশে অক্সফোর্ডের টিকা আসার...
Read More
টিকার তালিকায় নাম তুলতে হুড়োহুড়ি

করোনায় হারিয়ে যাওয়া কৈশোর

  সিলেটের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী তাসলিমা (ছদ্মনাম)। স্বাভাবিক সময়ে স্কুলের ক্লাস ও বাসায় পড়াশোনার ফাঁকে অল্প সময়ের জন্য ঘরের কাজে মাকে সাহায্য করত সে। কিন্তু নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর হঠাৎ করে সবকিছু বদলে যায় তার। দীর্ঘায়িত স্কুল ছুটিতে ঘরবন্দি হয়ে পড়ে তাসলিমা। এখন রান্না থেকে শুরু করে ছোট ভাইকে দেখাশোনা, কাপড় ধোয়াসহ গৃহস্থালির প্রায় প্রতিটি কাজেই মায়ের সহযোগী হিসেবে থাকতে হয়েছে তাকে। ঘরে কাজে সময় বেশি দিতে হলেও আর্থিক সচ্ছলতা থাকায় খাবারের সংকট হয়নি তাসলিমাদের। কিন্তু করোনার কারণে খাবার কম খেতে হয়েছে চট্টগ্রামের কিশোরী পারভিনকে। সে জানায়, করোনার সংক্রমণ শুরু হলে রিকশাচালক বাবার আয় কমে যাওয়ায় পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতে ব্যাপক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয় তাদের। লকডাউনের সময় প্রতি বেলা খাবার জোটেনি তাদের। শুধু তাসলিমা বা পারভীন নয়, করোনার কারণে বিরূপ প্রভাব পড়েছে দেশের অসংখ্য কিশোর-কিশোরীর শরীর-মন ও পড়াশোনায়। হারিয়ে গেছে জীবনের সবচেয়ে আনন্দময় সময় কৈশোর। যে সময়টা স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে হেসেখেলে কাটার কথা তা এখন কাটছে ঘরের মধ্যে টেলিভিশন কিংবা মোবাইলের স্ক্রিনে। আবার অনেকেই ঝরে পড়েছে স্কুল থেকে। সংসারের অভাব মেটাতে যুক্ত হয়েছে নানা কাজে। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন বলছে, কভিড-১৯ দেশের আর্থসামাজিক ব্যবস্থা দুর্বল করার পাশাপাশি অপূরণীয় ক্ষতি করে চলেছে স্কুলের শিক্ষার্থীদের। পরিবারে খাদ্যের অনিরাপত্তা ও উদ্বিগ্নতা মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যে। করোনা মহামারীতে স্কুল থেকে ঝরে পড়া ১০-১৮ বছর বয়সী ২ হাজার ৯৫ শিক্ষার্থীর ওপর জরিপ চালিয়ে ‘অ্যাডোলেসেন্স ইন দ্য টাইম অব কভিড-১৯: এভিডেন্স ফ্রম বাংলাদেশ’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। এতে বলা হয়, স্কুল বন্ধ থাকার ফলে দীর্ঘ সময় ধরে ঘরে বসে থাকা শিক্ষার্থীদের শেখার জায়গাটি অবারিত নেই। এ কারণে নানা ধরনের মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে এসব কিশোর-কিশোরী। ৯০ শতাংশ কিশোর-কিশোরী তাদের পরিবারের কাছ থেকেই শিক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা পাচ্ছে। মাত্র ১০ দশমিক ৫ শতাংশ শিক্ষার্থী কোনো না কোনোভাবে স্কুলের সহযোগিতা পাচ্ছে। আর শিক্ষকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখে শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে পেরেছে ২২ শতাংশ শিক্ষার্থী। প্রযুক্তিগত সুবিধার অভাবে পড়ালেখা প্রায় বন্ধই রয়েছে চট্টগ্রাম জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকা নবম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত সবুজের (১৪)। বাড়িতে টেলিভিশন থাকলেও সংসদ টিভিতে প্রচারিত পড়ালেখার ক্লাসগুলো নিয়মিত দেখার সুযোগ হয়ে ওঠেনি তার। কখনো বিদ্যুৎ থাকে না, আবার কখনো বাড়ির অন্য সদস্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে হয় টেলিভিশন। ১২ বছর বয়সী শিউলির প্রযুক্তিগত সমস্যা না থাকলেও অভিজ্ঞতা প্রায় একই। শিউলির অভিযোগ, টেলিভিশন ক্লাসে যা দেখানো হয় সেটা পরিপূর্ণ নয়। সেখানে সবকিছু বিস্তারিত দেখানো হয় না। শিক্ষকদের কাছে কোনো বিষয়ে জানতে চাওয়ারও উপায় নেই। যদিও আগে এ সমস্যা ছিল না। ক্লাসে যখন শিক্ষক সরাসরি পড়াতেন সেটা বুঝে নিতে অনেক সহজ হতো। এ কারণে লেখাপড়ার প্রতি ধীরে ধীরে আগ্রহ কমে যাচ্ছে শিউলির। কভিড-১৯-এর প্রভাবে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে কর্মসংস্থানে। বিশ্বব্যাংকের জরিপে দেখা গেছে, বহু মানুষ স্থায়ী ও সাময়িকভাবে চাকরি হারিয়েছে। ৮৩ শতাংশ খানা (হাউজহোল্ড) জানিয়েছে, করোনায় কোনো না কোনোভাবেই তাদের আয় কমে গেছে। ৬৫ শতাংশ পরিবার জানিয়েছে, করোনার মধ্যে তারা পরিবারের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। আর প্রয়োজনীয় খাদ্য কিনতে সক্ষম ৫৮ শতাংশ পরিবার। জরিপের তথ্য অনুযায়ী, করোনাকালে পরিবারের আর্থিক সংকটে ৩৫ শতাংশ কিশোরী ও ৩১ শতাংশ কিশোর খাবার কম পেয়েছে। সব মিলিয়ে ৩৪ শতাংশ কিশোর-কিশোরী পরিবার থেকে খাবার কম পেয়েছে। কম খাবার গ্রহণের কারণে ৬২ শতাংশ কিশোর ও ৫৮ শতাংশ কিশোরী কম প্রোটিন পেয়েছে। এদিকে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় ঘরে বসে থাকতে থাকতে মেজাজ খিটখিটে হয়ে পড়ছে অনেক শিক্ষার্থীর। ৯১ শতাংশ কিশোরী ও ৮৬ শতাংশ কিশোর এখন স্কুলে ফিরতে চায়। স্কুল বন্ধ থাকায় কিশোরীদের মধ্যে ৯৫ শতাংশ ও কিশোরদের ৯২ শতাংশ পরিবারের সঙ্গে সময় দিয়েছে। অবসরে বাসায় থেকে কিশোরীদের ১ শতাংশ ও কিশোরদের ৫ শতাংশ ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছে। মহামারীতে মোট শিক্ষার্থীর ৮০ শতাংশ কিশোরী ও ৭৬ শতাংশ কিশোর করোনার কারণে ভীত হয়ে পড়ে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিশোর-কিশোরীদের এ সংকট থেকে উত্তরণে নীতিনির্ধারকদের এমন কিছু পলিসি গ্রহণ করা প্রয়োজন, যা শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফেরাতে উৎসাহ জোগায়। বিশেষ করে মেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফেরাতে জোর প্রচেষ্টা চালাতে হবে। কারণ তাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব সবচেয়ে বেশি। তাদের জন্য স্কুলে এমন কিছু সৃজনশীল প্রোগ্রামের প্রয়োজন, যেগুলো তাদের শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের অধ্যাপক ডা. সাকিল আহম্মদ এ প্রসঙ্গে বণিক বার্তাকে বলেন, ‘মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য খেলাধুলা ও বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা দরকার। কিশোরদের মিথস্ক্রিয়া থাকে সমবয়সীদের সঙ্গে। এখানে তারা বাধার শিকার হলে তাদের মানসিক বৃদ্ধি হয় না। মানসিক বাধার কারণে তারা ভয়ে থাকে, মেজাজ খিটখিটে থাকে।’ এ সময় কৈশোরবান্ধব হওয়ার বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে এ বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘এ পরিবেশটা মূলত তাদের মতো করে সৃষ্টি করতে হবে। এখন তাদের বোঝাতে চেষ্টা করতে হবে। তাদের আনন্দের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে। অতিমাত্রায় নজরদারি না করে তাদের ভালো লাগার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। তাদের সঙ্গে নিজেদের শৈশব ও কৈশোরের গল্প বলতে হবে।’ সূত্র: বণিক বার্তা
Read More
করোনায় হারিয়ে যাওয়া কৈশোর

করোনার উৎস ভারত-বাংলাদেশ, দাবি চীনের, বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাখান

  নিজেদের দোষ ঢাকতে এবার বাংলাদেশ ও চীনের দিকে আঙ্গুল তুলেছে চীন। সম্প্রতি এক গবেষণার বরাত দিয়ে চীন দাবি করছে,...
Read More
করোনার উৎস ভারত-বাংলাদেশ, দাবি চীনের, বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাখান

 

 

স্বাস্থ্য কণিকা

  • No items

Eisamay.Indiatimes

Medlineplus Health

NYTimes Health

Bangla Health Tips

Huffingtonpost

WebMD Health

BBC Health

Reddit

Reuters Health

Newscientist

 

You may also like to visit:

All Headlines All English Newspapers All Bangla Newspapers
World News Sports News Technology News
Economy News Lifestyle Islami Jibon
Travel News Insurance News Job Opportunity
Glamour World Probashi News