‘‌যত দিন হোক থাকব’, ভারতের কৃষক আন্দোলনে মজুত খাবার থেকে অ্যাম্বুল্যান্স

দিল্লি ও হরিয়ানার সংযোগস্থল সিঙ্ঘু সীমান্তে ছয় দিন ধরে জমায়েত হাজার হাজার কৃষক। পুলিশের ব্যারিকেড তাদের রাজধানীতে পা ফেলতে দিচ্ছে না। কিন্তু ছয় দিন কেন, ছয় মাস ঠায় বসে থাকতে রাজি আন্দোলনরত কৃষকরা। তার জন্য খাদ্য, পানীয়, ওষুধ, জামাকাপড়, যা প্রয়োজন সব এসে জমা হয়ে চলেছে সিঙ্ঘু সীমান্তে। এর অর্থ, ভারত সরকারের কৃষি আইনের সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত ওখানেই আন্দোলন চলবে, যত দিন রসদ থাকে।

পাঞ্জাবের কাপুরথালা থেকে আগত একটি দল আবার একটি অ্যাম্বুল্যান্স সঙ্গে করে এনেছে। তাদের দলের প্রধান অবতার সিং ওয়ালিয়া জানালেন, শুধু অ্যাম্বুল্যান্স নয়, সাথে করে এক চিকিৎসককেও নিয়ে এসেছেন তারা। তার কথায়, ‘খাদ্যের সমস্যা মেটাতে লঙ্গরখানার ব্যবস্থা করেছে অনেকেই। আমরা তাই চিকিৎসার দিকটা দেখছি। কোভিড পরিস্থিতিতে কৃষকদের জন্য কাপড়ের মাস্কের ব্যবস্থাও করেছে এই দলটি।’

আর একটি দলে দেখা গেল অন্য চিত্র। তারা স্টোভে রান্না চাপিয়েছেন এবং জানালেন যা রসদ আছে তাতে ছয় মাস খাবারের অভাব হবে না। এই সীমান্তকেই আপাতত নিজেদের ঘরবাড়ি বানিয়ে নিয়েছেন আন্দোলনরত কৃষকরা। এক ট্রাক্টর থেকে আর এক ট্রাক্টরে বাঁধা হয়েছে দড়ি আর তাতেই চলছে জামাকাপড় শুকনোর কাজ।

এর মধ্যে খালসা এড ফাউন্ডেশন নামে এক সংস্থা চা–নাস্তার ব্যবস্থা করছে। সাথে রয়েছে ক্ষীরও। এই সংস্থাই আবার নারীদের জন্য ২০টি বহনযোগ্য শৌচালয়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছে যাতে তাদের কোনো সমস্যায় পড়তে না হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যার আলোচনায় কোনো সমাধান সূত্র বেরোয়নি, ফলে অবস্থান থেকে পিছু হাঁটার কথা ভাবতেই নারাজ কৃষকরা।

সূত্র : আজকাল

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

DSA should be abolished
/ জাতীয়, সব খবর
Loading...
আরো পড়তে পারেন:  শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ কাতিফে অচলাবস্থা ঘোষণা সৌদির

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *