সিমলায় কিশোরী বেনজির, মীনাকুমারীর ‘পাকিজা’ আর একটি ‘নড়বড়ে’ চুক্তি

সিমলাতে ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলি ভুট্টোর করমর্দন, ছবিতে বাবার পাশে কিশোরী বেনজির ভুট্টো। ২৮শে জুন, ১৯৭২

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, সিমলাতে ইন্দিরা গান্ধী ও জুলফিকার আলি ভুট্টোর করমর্দন, ছবিতে বাবার পাশে কিশোরী বেনজির ভুট্টো। ২৮শে জুন, ১৯৭২

একাত্তরের যুদ্ধ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক মাসের মাথায় ভারতের সঙ্গে ‘শান্তি আলোচনায়’ বসতে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলি ভুট্টো যখন হিমাচলের শৈলশহর সিমলাতে এলেন, তখন তার স্ত্রী বেগম নুসরত ভুট্টো বেশ অসুস্থ – তাই তিনি সঙ্গে করে এনেছিলেন নিজের বড় মেয়ে, কিশোরী বেনজিরকে। বেনজির ভুট্টো তখন সবে উনিশে পা দিয়েছেন।

এটা ‘৭২ সালে জুনের শেষ সপ্তাহের কথা – আর তার কিছুদিন আগেই ভারতে মুক্তি পেয়েছে কামাল আমরোহির ব্লকবাস্টার ছবি ‘পাকিজা’।

ছবি থিয়েটারে আসার পর দু’মাস না পেরোতেই মারা গেলেন ছবির নায়িকা মীনাকুমারী, তখন তার বয়স চল্লিশও হয়নি। বলিউডের ‘ট্র্যাজেডি কুইন’ ভক্তদের চোখের জলে ভাসিয়ে বিদায় নিলেন, আর পাকিজা-র বক্স অফিস চড়চড় করে বাড়তে থাকল।

মীনাকুমারী ওরফে মাহজাবিন বানো পাকিস্তানেও অসম্ভব জনপ্রিয় ছিলেন, আর ষাটের দশকে বলিউডের ছবি পাকিস্তানে নিয়মিত মুক্তিও পেত। কিন্তু যুদ্ধের আবহে পাকিস্তানের দর্শকরা ‘পাকিজা’ যথারীতি দেখতে পাননি।

Source link

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

[pt_view id="09811e2xkg"]