দুর্নীতিবাজ শিক্ষা কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান মিলন ঝিনাইদহে

বহুল আলোচিত দুর্নীতিবাজ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আক্তারুজ্জামান মিলনকে অবশেষে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর তাকে এই বদলি করেছে।

গত বুধবার (৯ জুলাই) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন (প্রশাসন-১) স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আক্তারুজ্জামান মিলনকে আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ঝিনাইদহে যোগদানের নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে, ঝিনাইদহের প্রাথমিক শিক্ষকরা এই দুর্নীতিবাজ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাদের ভাষ্যমতে, মোঃ আক্তারুজ্জামান মিলন গত চার বছর আগে শ্যামনগর উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। দুর্নীতির দায়ে তাকে ভোলা জেলায় বদলি করা হলেও সেখানেও তিনি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। সর্বশেষ তাকে গোয়াইনঘাট উপজেলায় বদলি করা হয়েছিল।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, তারা দুর্নীতিবাজ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মিলনকে ঝিনাইদহ সদরে চান না। তারা বর্তমান উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাক আহমেদকে বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, মোঃ আক্তারুজ্জামান মিলনের বিরুদ্ধে ২০১৯-২০ অর্থবছরে শিক্ষা অধিদপ্তরের দেওয়া বরাদ্দের অর্থ বিদ্যালয়গুলোর অনুকূলে ছাড় করার ক্ষেত্রে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ঘুষ আদায়ের অভিযোগ ওঠে। সে সময় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার হাবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাইসহ অসংখ্য প্রধান শিক্ষক ঘুষ আদায়ের বিষয়ে সরাসরি শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে স্লিপ খাতের বরাদ্দ থেকে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন সরবরাহের অজুহাতে এই কর্মকর্তা ১৯১টি বিদ্যালয় থেকে ২৭ লাখ টাকা হাতিয়ে আত্মসাৎ করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আক্তারুজ্জামান মিলন জানান, তার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি নিয়ম মেনেই বদলি হয়েছেন এবং নিজেকে ষড়যন্ত্রের শিকার বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, ঝিনাইদহে এলে দেখা ও কথা হবে।

Source link

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

Loading...