১ মাস আগেই বোঝা যাবে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ

একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুহার বেড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে হৃদরোগ। আমাদের দেশেও এই হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। মূলত দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় মানসিক চাপ বৃদ্ধি পাওয়া এবং অধিক মাত্রায় অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কারণে হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে।

জীবনযাত্রার মান স্বাস্থ্যসম্মত করার মাধ্যমে এর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। এছাড়া কিছু লক্ষণ আছে যা দেখে ধারণা করা সম্ভব এক মাসের মধ্যে হার্ট-অ্যাটাক হতে পারে।

অধিকমাত্রায় অবসাদ

যখন হৃৎপিণ্ডের ধমনীগুলো সরু হয়ে যায় তখন হৃৎপিণ্ড স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম রক্ত পায়। তাই হৃৎপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক গুণ বেশি কাজ করতে হয়। আর এই কারণে শরীর প্রচুর ক্লান্ত হয়ে পরে।

শ্বাসপ্রশ্বাসে কষ্ট

যখন হৃৎপিণ্ড প্রয়োজনের তুলনায় কম রক্ত পায় তখন ফুসফুসও পরিমান মত অক্সিজেন পায় না। তাই শ্বাসপ্রশ্বাসে প্রচণ্ড রকম বাঁধার সৃষ্টি হয়। এটি হার্ট অ্যাটাক হবার খুব কাছের লক্ষণ। তাই অতি দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

দুর্বলতা

যখন শরীর হঠাৎ করেই খুব দুর্বল হয়ে পড়ে যার কারণ ধমনী অধিক মাত্রায় সরু হয়ে যাওয়ায় রক্ত-সঞ্চালন ঠিকমত হচ্ছে না। তাই মাংসপেশিতে রক্ত সরবরাহ বাঁধা পাচ্ছে। তাই এমন দুর্বলতাক তুচ্ছ মনে করা যাবে না।

মাথা ঘোরানো ও শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া

হার্টের রক্ত-সঞ্চালন কমে গেলে মাথা ঘোরায় এবং শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যায়। এটি কখনই অবহেলা করা ঠিক নয়।

বুকে ব্যথা অথবা চাপ অনুভূত হওয়া

যদি বুকে কোনো প্রকার অস্বস্তিদায়ক চাপ অথবা ব্যথা অনুভূত হয় এবং এটা কম পরিমানে হলেও সমস্যার কারণ হতে পারে। এই চাপ হার্ট অ্যাটাক হবার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত বাড়তে পারে।

সর্দি হওয়া

ঠাণ্ডা-সর্দি অথবা ভাইরাস জনিত ফ্লু হতে পারে হার্ট অ্যাটাক সমস্যার পূর্ব লক্ষণ।

সূত্র: বিডি জার্নাল

স্বাস্থ্য সম্পর্কিত আরো প্রতি মূর্হর্তের খবর জানুন এখানে

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

আরো পড়তে পারেন:  বিবস্ত্র হয়ে কি গোসল করা যাবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *