১৫ জুনের পরও সরকারি অফিস ‘সীমিত পরিসরে’

আগামীকাল সোমবার অর্থাৎ ১৫ জুন পর্যন্ত যে পদ্ধতিতে সরকারি অফিস পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তা আরো দীর্ঘায়িত হচ্ছে। আজ রবিবার অথবা আগামীকাল এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

টানা ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটির পর গত ৩১ মে থকে ১৫ জুন পর্যন্ত ‘সীমিত পরিসরে’ অফিস খোলার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। গত ২৮ মে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে অফিস স্মারক জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এরপর কী পদ্ধতিতে সরকারি অফিস পরিচালিত হবে তা নিয়ে চিন্তা করছে সরকার। এ ক্ষেত্রে নতুন সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা কম বলে জানা গেছে। বর্তমানে যেভাবে সীমিত পরিসরে অফিস পরিচালিত হচ্ছে তা-ই চলমান থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস গতকাল শনিবার কালের কণ্ঠকে বলেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দেবেন। সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানানোর দায়িত্ব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনও জানিয়েছেন, নতুন করে সাধারণ ছুটি বাড়ানো হবে না। এখন যেভাবে চলছে সেভাবেই চলবে।

লকডাউন এলাকায় সাধারণ ছুটি

এলাকভিত্তিক লকডাউন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যেসব এলাকা রেড জোনের আওতাধীন থাকবে সেসব এলাকায় সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হবে। এলাকাভিত্তিক লকডাউন নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। গত শুক্রবার কয়েকজন মন্ত্রী ও মেয়রের মধ্যে হওয়া ডিজিটাল বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইয়েলো ও গ্রিন জোনে বিদ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস খোলা থাকবে। গণপরিবহনও চলবে সীমিত পরিসরে। তবে রেড জোনে যে সাধারণ ছুটি থাকবে সে বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে কোনো প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, যে অবস্থায় চলছে সব কিছু সেভাবেই চলবে। নতুন করে ছুটি ঘোষণা করা হবে না। যে এলাকা রেড জোন থাকবে, সেখানে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হবে।

আরো পড়তে পারেন:  এবার এরদোয়ানের আপত্তিকর কার্টুন প্রকাশ করল ফ্রান্সের সেই ম্যাগাজিন

এলাকাভিত্তিক লকডাউন বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে গত শুক্রবার উচ্চ পর্যায়ে একটি ডিজিটাল বৈঠক হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। অন্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ পলক, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, মন্ত্রিপরিষদসচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস প্রমুখ বৈঠকে অংশ নেন।

 

সূত্র: কালের কন্ঠ

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

Loading...
আরো পড়তে পারেন:  ইসলামবিরোধী গোপন দলে গিয়ে মুসলিম হই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *