সারাদিন ধরে টেস্ট ব্যাটিং শিখল বাংলাদেশ

 

রাওয়ালপিণ্ডি টেস্টের প্রথম দিনেই অল-আউট হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ দল। তখন যাদের মনে পিচ নিয়ে সামান্যতম সন্দেহ ছিল, আজ ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে তা দূর হয়ে যাওয়ার কথা। সারাদিনে আজ বাংলদেশের সাফল্য মাত্র ৩টি। পাকিস্তান সংগ্রহ করেছে ৩ উইকেট ৩৪২ রান। তাদের দুই ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি করেছেন। হাফসেঞ্চুরি করে ব্যাট করছেন আরেকজন। বাংলাদেশের বিপক্ষে লিড দাঁড়িয়েছে ১০৯ রানের। বাবর আজম অপরজিত ১৪৩* এবং আসাদ শফিক অপরাজিত ৬০* রানে।

রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের দ্বিতীয় দিনে নিজেদের প্রথম ইনিংস খেলতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়েছিল পাকিস্তান। তাদের দলীয় ২ রানেই বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দেন আবু জায়েদ রাহি। তার বলে উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি হন আবিদ আলী (০)। এরপর ৯১ রানের জুটি গড়েন শান মাসুদ আর আজহার আলী। ৫৯ বলে ৩৪ রান করা পাকিস্তান অধিনায়ক আজহারকে নাজমুল হোসেন শান্তর তালুবন্দি করে জুটি ভাঙেন আবু জায়েদ। এরপর শুধুই বাংলাদেশের হতাশার গল্প। যে উইকেটে গতকাল ম্যাচের প্রথম দিনে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা খাবি খেয়েছে, সেই উইকেটেই ওয়ানডে স্টাইলে খেলেছে স্বাগতিক পাকিস্তান।

তৃতীয় উইকেটে এসে ১১২ রানের জুটি গড়েন ওপেনার শান মাসুদ এবং সুপারস্টার বাবর আজম। ১৫৭ বলে ১১ বাউন্ডারিতে টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ৩০ বছর বয়সী শান মাসুদ। অবশ্য ঠিক ১০০ রানেই তাকে ফিরিয়ে দেন তাইজুল ইসলাম। এটাই বাংলাদেশের তৃতীয় সাফল্য। অন্যদিকে ৭৯ বলে ফিফটি করা বাবর আজমও তুলে নেন ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি। তিন অংক ছুঁতে তিনি খেলেছেন ১৩৫ বল, হাঁকিয়েছেন ১৫টি বাউন্ডারি। অবশ্য ব্যক্তিগত ২ রানেই বাবরের ইনিংসের শেষ হতো, যদি না তাইজুলের বলে মিড অফ থাকা ইবাদত ক্যাচ না ছাড়তেন।

শুধু বাবরকেই নয়, শান মাসুদকেও সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ! ব্যক্তিগত ৮৬ রানে লিটন দাসের গ্লাভসে ক্যাচ দিয়েছিলেন শান। কিন্তু লিটন দাস সেটা বুঝতে না পেরে আউটের আবেদন করেননি! এসব ছেলেমানুষি ভুলের মাসুল দিতে হয়েছে খুব বাজে ভাবে। রীতিমতো রানপাহাড় গড়ার পথে পাকিস্তান। দিনের বাকি সময়টা আরামে কাটিয়ে দিয়েছেন বাবর আজম এবং আসাদ শফিক। পাকিস্তান করেছে ৩ উইকেটে ৩৪২ রান। বাংলাদেশের সামনে লিড ১০৯ রানের।

আরো পড়তে পারেন:  ৫ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

এর আগে নিজেদের প্রথম বাংলাদেশ অল-আউট হয় মাত্র ২৩৩ রানে। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৩ রানেই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান দুই ওপেনার তামিম ইকবাল (৩) আর অভিষিক্ত সাইফ হাসান (০)। অধিনায়ক মুমিনুল করেন ৩০ রান। টিকে থাকার লড়াই করতে করতে নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ১১০ বলে ৪৪ রান। বাংলাদেশের ইনিংসের একমাত্র হাফ সেঞ্চুরিয়ান মোহাম্মদ মিঠুন। নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ১৪০ বলে ৬৩ রান। ৫৩ রানে ৪ উইকেট নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। ২টি করে নিয়েছেন মোহাম্মদ আব্বাস আর হারিস সোহেল।

সূত্র: কালেরকণ্ঠ

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

Loading...
আরো পড়তে পারেন:  ২০ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *