লেবাননে ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণের কারখানা তৈরি করেছে হিজবুল্লাহ

 

ইরানের সহায়তায় লেবাননভিত্তিক ইসলামী সশস্ত্র রাজনৈতিক দল হিজবুল্লাহ একটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা তৈরি করছে। লেবাননের রাজধানী বৈরুতে এই কারখানা তৈরি করা হয়েছে বলে সোমবার ইসরায়েলের স্থানীয় গণমাধ্যম চ্যানেল-১৩ জানিয়েছে। খবর ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদপত্র দ্য জেরুজালেম পোস্ট।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা এ তথ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্টমন্ত্রী মাইক পাম্পেওয়ের সাথে আলোচনা করেছিল। পাম্পেও গত মার্চ মাসে লেবানন সফরের সময় ইরানের সহায়তায় দেশের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা তৈরির বিষয়টি লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরিকে জানিয়ে সতর্ক করেন। একই সাথে দেশটিতে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হুমকির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সূত্র বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম এমন ক্ষেপণাস্ত্রেরও নির্মাণ চলছে ওই কারখানায়। লেবাননের অভ্যন্তরে হিজবুল্লাহর এই ধরনের কর্মকাণ্ড ইসরাইলের সাথে বিপদজনক সম্পর্ক তৈরি করবে বলে জানানো হয়েছে। ওই সূত্র জানান, আমরা বিশ্বাস করি লেবানন সরকারের হাতেও এমন ধরনের তথ্য আছে।

এর আগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অভিযোগ করেন, বৈরুতের প্রধান বিমানবন্দরসহ বেসামরিক ভবনের আড়ালে ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার মজুদ করছে হিজবুল্লাহ।

নেতানিয়াহু আরো অভিযোগ করেন, রাজধানীর নিকটবর্তী শহর ওজাইয়ে হিজবুল্লাহ তাদের ক্ষেপাণাস্ত্রকে উন্নত করণের জন্য অবকাঠামো নির্মাণের চেষ্টা করছে। হিজবুল্লাহ এতদিন রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে বেসামরিক জায়গায় এই প্রকল্প চালালেও এখন তারা অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার কথা জানিয়েছে।

নেতানিয়াহুর মতে, ক্ষেপণাস্ত্রের অবকাঠামোর এসব জায়গার মধ্যে একটি রয়েছে ফুটবল মাঠের অভ্যন্তরে। আরেকটি রয়েছে রাফিক হারিরি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটে এবং তৃতীয় আরেকটি রয়েছে বিমানবন্দরের ৫০০ মিটার পাশেই অবস্থিত মাগানাহ আবাসিক এলাকার একটি ভবনে।

ইরানি দক্ষতা, তহবিল ও সহায়তায় নির্মিত হিজবুল্লাহর এসব সুনির্দিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টা সিরিয়ায় হামলার সময় বহুবার ইসরাইলের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

সূত্র: দৈনিক বণিকবার্তা

আন্তর্জাতিক আরো প্রতি মূর্হর্তের খবর জানুন এখানে

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *