যে তিন উপায়ে চারদিনে করোনামুক্তি!

 

বিশ্বব্যাপী যখন মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস তখন মানুষ নানান উপায়ে করোনার হাত থেকে বাঁচতে চাইছেন। বিজ্ঞানীরা প্রতিষেধক তৈরির জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এখনও অবধি কোনো আশার আলো দেখা যায়নি। এ পরিস্থিতিতে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে কিছু ঘরোয়া কৌশল নিয়ে আলোচনা হচ্ছে ইন্টারনেট দুনিয়ায়।

ভারতীয় এক নাগরিক যিনি করোনার উৎপত্তিস্থল চীনের উহানে বসবাস করেন। তার ফেসবুক স্ট্যাটাসের বরাতে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে এই ঘরোয়া কৌশল। এই কৌশলে মাত্র ৪ দিনেই বিনাশ হচ্ছে করোনাভাইরাস বলে দাবি অনেকের। ইতিমধ্যে সেই স্ট্যাটাসটি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে।

এতে বলা হচ্ছে, চীনের প্রতিটি বাড়িতেই করোনা আক্রান্ত রোগী আছে। কিন্তু সেখানকার বাসিন্দারা এই ভাইরাসের জন্য আর কোনো ওষুধ বা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন না। তারা এর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়াও বন্ধ করে দিয়েছেন। এর পরিবর্তে তারা গরম পানির ভাপ দিয়ে এই ভাইরাসকে বিনাশ করছেন।

এতে আরো বলা হয়, এজন্য তারা মাত্র ৩টি কাজ করছেন।

সেগুলো-

১) তারা দিনে চার বার কেটলি থেকে গরম পানি ভাপ নিচ্ছেন।

২) দিনে চার বার গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করছেন।

৩) আর দিনে চার বার গরম চা পান করছেন।

এভাবে টানা ৪ দিন এই ৩টি কাজ করেই ভাইরাসটিকে দমন করছেন তারা। এভাবেই ৫ দিনে হচ্ছেন করোনা নেগেটিভ বলে ওই স্ট্যাটাসে দাবি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বিগত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে বৈশ্বিক মহামারিতে পরিণত করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৪৭ লাখ ছুঁইছুঁই। মারা গেছেন তিন লাখ ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ। তবে ১৭ লাখ ৬৮ হাজারেরও বেশি রোগী ইতিমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এপ্রিলের শুরু থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা।

আরো পড়তে পারেন:  নামাজের জন্য তৃতীয় তলা থেকে প্রথম তলায় আসা বৈধ

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি নানা পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে; যার মূলে রয়েছে মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। মানুষকে ঘরে রাখতে রাজপথের পাশাপাশি পাড়া-মহল্লায় টহল দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশ।

 

সূত্র: বিডি জার্নাল

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *