যে কারণে যুক্তরাষ্ট্র সবার করোনা পরীক্ষা করছে না

 

করোনাভাইরাস যেন নিজেই পরীক্ষা করা যায়, সেই উপায় খুঁজছে হোয়াইট হাউস। গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, করোনাভাইরাস হয়েছে কিনা, তা নিজের মতো করেই বোঝা দরকার। আমাদের নিজেদের ব্যাপারে ভাবতে হবে, নিজেরা আক্রান্ত হয়েছি কি না, সেটাও বুঝতে হবে।

এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার কীটের সঙ্কট রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। করোনার ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে বহু মানুষ পরীক্ষা করানোর জন্য হাসপাতাল ও ক্লিনিকে হুমড়ি খেলে পরিস্থিতি আরো জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভুল ধারণার কারণে মানুষজন করোনা পরীক্ষার জন্য বেশি আগ্রহী হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত করোনা পরীক্ষার কীট পর্যাপ্ত নয়। করোনা ঠেকাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণে পরীক্ষার সামগ্রী রাখা দরকার।

মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করেন, করোনাভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আরো কীট দরকার। তার মানে এই নয় যে, সবাই করোনা পরীক্ষার জন্য হুমড়ি খাবে। যাদের ভেতরে লক্ষণ দেখা দিয়েছে এবং পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে, তারাই কেবল পরীক্ষা করাবেন।

মার্কিন চিকিৎসকরা মনে করেন, আক্রান্ত হওয়ার আগেই মাস্ক ব্যবহারও ঝুঁকিপূর্ণ। সেই সঙ্গে আতঙ্কের কারণে এবং বারবার হাত ধোয়ার ফলে উল্টো ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। এর চেয়ে বরং, নিজেদেরই বুঝতে হবে, তারা আক্রান্ত হয়েছেন কিনা।

সবাই যদি করোনা পরীক্ষার জন্য হুমড়ি না খায়, সে ক্ষেত্রে যেসব ব্যক্তিদের করোনা পরীক্ষা করা আসলেই দরকার- তারা সুযোগ পাবেন। সেই সঙ্গে করোনা পরীক্ষা করানোটাও ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্কিন প্রশাসন চেষ্টা করছে, যারা অসুস্থ হচ্ছেন, তাদের সবাইকে পরীক্ষা করার। ঝুঁকিতে থাকা প্রত্যেককে পরীক্ষা করা গেলে সে দেশের করোনা পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র জানা যাবে।

মার্কিন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিজেদের মতো করেই শারীরিক পরিস্থিতি বুঝতে হবে, কেবল মনের সন্দেহ দূর করার জন্য করোনা পরীক্ষা করতে হুমড়ি খাওয়ার দরকার নেই। তবে এ সময় অন্যদের সঙ্গে অপ্রয়োজনে যোগাযোগের দরকার নেই। বিশেষ করে যারা ঝুঁকিতে আছে, তাদেরকে এড়িয়ে চলা দরকার।

আরো পড়তে পারেন:  লেবাননে ফরাসি শাসনের দাবি হাজারো মানুষের

 

সূত্র: কালেরকণ্ঠ

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

Loading...
আরো পড়তে পারেন:  অভাব কাকে বলে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *