মার্কিনিদের দিয়ে কাপড় ধোয়ান নেতানিয়াহু

আমেরিকা সফরে গেলেই ব্যাগ ভর্তি ময়লা কাপড় সঙ্গে নিয়ে যান ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সেই ময়লা কাপড় ধুতে হয় মার্কিন সরকারি কর্মীদের। বারবার নেতানিয়াহুর এমন কাণ্ডে বিরক্ত মার্কিন প্রশাসন। অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে এই কান্ড করে আসছেন তিনি। 

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ প্রথম মার্কিন কর্মকর্তারা এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানালো। এরআগে নেতানিয়াহুর এমন কাজের সমালোচনা করেছিলো ইসরায়েলি সাংবাদিকরাও।

জানা গেছে, নেতানিয়াহু সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে আসলে মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্টের গেস্ট হাউস ব্লেয়ার হাউসে উঠেন। প্রতিবারই ইসরায়েল থেকে আসার সময় তিনি অনেকগুলো ব্যাগ ও সুটকেস সঙ্গে নিয়ে আসেন যাতে ময়লা কাপড় ভর্তি করা থাকে। সেসব ময়লা কাপড় বিনা পয়সায় মার্কিন কর্মীরা ধুয়ে দেন।

ব্লেয়ার হাউসে উঠা সব অতিথিদের জন্য কাপড় ধোয়া ও পরিষ্কারের জন্য লন্ড্রি ব্যবস্থা আছে। তবে রাষ্ট্রীয় অতিথি এবং তাদের পরিবার সফরকালীন পোশাক ধুতে সেই সেবা গ্রহণ করেন।

এ প্রসঙ্গে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, একমাত্র নেতানিয়াহুই সুটকেস ভর্তি ময়লা কাপড় নিয়ে এসে আমাদের দিয়ে ধুইয়ে নেন। আর কেউ এমনটা করেন না। একবার নয়, বারবার একই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। এটা পরিষ্কার যে তিনি ইচ্ছা করেই এমনটা করেন।

নিজ দেশেও এমন অদ্ভুত আচরণের জন্য সমালোচিত নেতানিয়াহু। ২০১১ সালে ইসরায়েলি সাংবাদিক রাভিভ ড্রকারের একটি প্রতিবেদন থেকে প্রথম জানা যায় ময়লা কাপড় ধোয়া নিয়ে নেতানিয়াহু পরিবারের এই অভ্যাসের বিষয়টি।

এ মাসের শুরুতে ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য মার্কিন সফরে যান নেতানিয়াহু। সপ্তাহজুড়ে সেই সফরে নেতানিয়াহু পরিবারসহ ইসরায়েলি কর্মকর্তার বাসভবনে থাকলেও রাষ্ট্রীয় খরচে লন্ড্রি সেবা নেন। বিষয়টি প্রকাশ পায় প্রভাবশালী ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজেও।

 

সূত্র: সময় নিউজ

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

আরো পড়তে পারেন:  দিল্লির হতাহতদের বেশিরভাগই মুসলিম, বেরিয়ে আসছে ভয়ংকর তথ্য
Tk 23,000 almirah bought for Tk 96,000
/ জাতীয়, সব খবর
DSA should be abolished
/ জাতীয়, সব খবর
Loading...
আরো পড়তে পারেন:  এমন সুযোগ জীবনে আর পাবেন না: বিএনপিকে নাসিম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *