বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বড় হ্যাকার কে?

Hamza Bendelladj

প্রশ্ন যেহেতু এখানে হ্যাকার সম্পর্কে, তাই একজন হ্যাকারের কর্ম উল্লেখ করতে চাই।

ইনি একজন আলজেরিয়ান হ্যাকার, যার code name ছিল “BX1 এবং nick name ছিল “Smiling Hacker”

Hamza Bendelladj

তিনি FBI এবং Interpol এর শীর্ষ ১০ দাগী হ্যাকারদের একজন ছিলেন। তিনি কম্পিউটার ভাইরাসের মাধ্যমে দুই শতাধিক আমেরিকান ও ইউরোপীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তার তৈরী “RimiG33K” ভাইরাসটি বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫০ মিলিয়ন কম্পিউটারকে সংক্রামিত করলে হামযা বিভিন্ন ব্যাংকের তথ্য পেয়ে যায়। তিন বছর ধরে তার খোজ চলার পর ২০১৩ সালে থাইল্যান্ডের পুলিশের দ্বারা গ্রেপ্তার হন। কিন্তু তিনি গ্রেপ্তার প্রতিহত করেন নি। গ্রেপ্তার হওয়ায় হামযা তাঁর পরিবারকে বিদায় জানিয়েছিলেন এবং তাঁর স্ত্রী ও কন্যা তাঁকে ছাড়াই গন্তব্যস্থলে যাত্রা শুরু করেন।

হাতকড়া পড়ার পরেও গ্রেপ্তারের পরে তোলা সমস্ত ছবিতে সে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে ছিল। মিডিয়া উপস্থাপনা চলাকালীন মুখের হাসির কারণেই তিনি “স্মাইলিং হ্যাকার” ডাকনাম অর্জন করেছিলেন।

এই অর্থ দিয়ে তিনি কী করেছেন জানতে চাইলে হামযা বলেছিলেন যে এতসব অর্থ ফিলিস্তিনি দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলোতে (চ্যারিটি) দান করেছেন!

 

কেভিন মিটনিক

বিশ্বের সবচেয়ে বড় হ্যাকার হচ্ছে কেভিন ডেভিড মিটনিক। যিনি যুক্তরাষ্ট্রের একজন সাজা প্রাপ্ত হ্যাকার। এবং সেই সময়কার পুলিশদের নিকট মোস্ট ওয়ান্টেড হ্যাকার। তাকে ফাদার অফ হ্যাকার বলা হয়।

চিত্রঃ কম্পিউটারে ব্যস্ত কেভিন মিটনিক

মাত্র ১২ বছর বয়সে হ্যাকিং তিনি হ্যাকিং নিয়ে কাজ শুরু করে। তিনি প্রাথমিক জীবনে ‘সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং’ ব্যবহার করে লস এঞ্জেলসের বাসে পাঞ্চ কার্ড হ্যাকিং হ্যাকিং করেন, যাতে অনায়েসে ফ্রী রাইড করা যেত। এর ফলে তাদের ১৬০০০০ ডলার ক্ষতি হয়েছিলো

১৯৭৯ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে তার বন্ধুর মাধ্যমে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের নেটওয়ার্ক আরপানেটের অ্যাকসেস পেয়ে যায়। সেটা হ্যাক করে তাদের স্পর্শকাতর ফাইল দেখেন কেভিন মিটনিক।

আরো পড়তে পারেন:  আত্মহত্যার ঘটনা : বাংলাদেশের আইন দোষীদের শাস্তি নিয়ে কী বলে?

এরপর তিনি মটোরোলানকিয়াফুজিৎসুর মতো বড় প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার হ্যাক করেছিলেন [সূত্র-২]। তার হ্যাকিং বিদ্যার জন্য তাকে গ্লেন কেজ উপাধি দেওয়া হয়।

মিটনিক, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যালোলিনার ছাত্র ছিলেন। এফবিআই ১৯৯৫ সালে উপরোক্ত অপরাধ সমূহের জন্য তাকে গ্রেপ্তার করেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বহু ওয়েবসাইট হ্যাক করার অভিযোগ উঠেছিলো।

১৯৮৮ সালে ডিইসি নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট হ্যাক করায় তিনি ১ বছর জেল খাটেন। এরপরে আর একটি হ্যাকিং এর ঘটনাতে তার এরেস্ট ওয়ারেন্টি ইস্যু হলে সে ২.৫ বছর পালাতক থাকেন। এরপরে ১৯৯৫ সালে তাকে মটোরোলানকিয়া ও পাঞ্চ কার্ড হ্যাকিং এর জন্য গ্রেপ্তার করে ৫ বছরের জন্য জেলে পাঠানো হয়।

 

সূত্র: Quora

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

Loading...
আরো পড়তে পারেন:  বিবেকের চাপে রয়েছি: ইসি আলমগীর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *