প্রেসিডেন্ট পদের সঙ্গে বউকেও হারাচ্ছেন ট্রাম্প!

 

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে হেরে গিয়ে এবার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পকেও হারাতে যাচ্ছেন রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানা গেছে, প্রেসিডেন্ট পদের মেয়াদ শেষ হলেই তাকে ডিভোর্স দেবেন স্ত্রী বিদায়ী ফাস্ট লেডি।!

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণসহ একাধিক মামলা রয়েছে। বলা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট পদ হারালে এসব মামলায় তাকে জেলে যেতে হতে পারে। এই ভয় থেকেই প্রেসিডেন্ট পদ টিকিয়ে রাখতে চান তিনি।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেয়াদ শেষ হলেই হোয়াইট হাউস ছাড়বেন ট্রাম্প। আর তারপরই ৭৪ বয়সি স্বামীকে ডিভোর্স দেবেন মেলানিয়া। প্রতিবেদনে একদা ট্রাম্পের সহকারী ওমারোসা মানিগল্ট নিউম্যানের বক্তব্যকেও উদ্ধৃত করা হয়েছে। যেখানে তার দাবি, এখন কেবল ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন মেলানিয়া। হোয়াইট হাউস থেকে ট্রাম্প বিদায় নিলেই নিজেদের ১৫ বছরের সম্পর্কে দাঁড়ি টানবেন তিনি। একই দাবি করেছেন মেলানিয়ার সাবেক পরামর্শদাতা স্টেফানি ওয়ালকফেরও। তিনিও জানিয়েছেন, দু’’জনের বিচ্ছেদ এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। কাউন্টডাউন শুরু করে দিয়েছেন মেলানিয়া। ওয়ালকফের আরো দাবি, হোয়াইট হাউসে ইতিমধ্যেই স্বামী-স্ত্রীর শয়নকক্ষও আলাদা। কথাও হয় না বললেই চলে।

কিন্তু কেন ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হলে ডিভোর্স দেবেন মেলানিয়া?‌ মনে করা হচ্ছে, বর্তমানে ডিভোর্স দিলে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ক্ষতিও করতে পারেন ট্রাম্প। সেকারণেই তিনি প্রেসিডেন্ট পদে ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হলেই বিচ্ছেদ ঘটাবেন। পাশাপাশি প্রতিবেদনে এটাও বলা হয়েছে, ছেলে ব্যারন এবং তিনি নিজে যাতে স্বামীর সম্পত্তির ভাগ পান, সেজন্য একটি চুক্তি করার কথাও নাকি চিন্তা করছেন মেলানিয়া।

এদিকে গার্ডিয়ান ও মেট্টোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মামলা রয়েছে। প্রেসিডেন্ট পদের কারণে সেগুলো এতদিন ঠেকিয়ে রেখেছিলেন তিনি। হোয়াইট হাউসের সূত্র দিয়েই এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

আরো পড়তে পারেন:  ভয় পাবেন সঞ্জয় দত্তকে দেখলে, বাজিরাও মস্তানি, পদ্মাবতের মিশেলেই কি তৈরি হল পানিপথ! দেখুন ট্রেলার

প্রতিবেদন অনুসারে, ট্রাম্প এবার ভোট গণনার সময় কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন তার একটি কারণ হল জেলে যাওয়ার ভয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন ফেডারেল প্রসিকিউটর হ্যারি স্যান্ডিকের অভিমত, ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর প্রসিকিউটর ও সাক্ষীদের পক্ষে মামলা চালিয়ে যাওয়া সহজ হবে।

তাছাড়া ফৌজদারি মামলায় আদালতে হাজির হওয়ার জন্য উচ্চতর সুরক্ষা দাবি করতেন ট্রাম্প। কিন্তু প্রেসিডেন্ট পদে না থাকলে সেই রকম দাবি আর তিনি করতে পারবেন না। সূত্র: মানবকণ্ঠ

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

Loading...
আরো পড়তে পারেন:  দেশের সবচেয়ে অপছন্দের গান নোবেলের ‘তামাশা’!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *