দুই পা ড্যামেজ হয়ে গেছে শেখ সেলিমের জামাতার

 

শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ সিরিজ বোমা হামলায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের মেয়ে শেখ সোনিয়ার স্বামী মশিউল হক চৌধুরী প্রিন্সের দুটি পা ড্যামেজ (অকেজো) হয়ে গেছে।

সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ সিরিজ বোমা হামলায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নাতি জায়ান মারা গেছে ও তার জামাতা মশিউল হক চৌধুরী প্রিন্সের দুটি পা ড্যামেজ (অকেজো) হয়ে গেছে। তিনি এখন শ্রীলঙ্কার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় শেখ সেলিমের বনানী বাসা থেকে বের হয়ে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন খন্দকার মোশাররফ। এ সময় সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘শেখ সেলিমের জামাই খুব বাজেভাবে আহত হয়েছেন। তার দুটো পা ড্যামেজ (অকেজো) হয়ে গেছে। কমপক্ষে ১৫ দিন না গেলে তাকে হাসপাতাল থেকে মুভ করানো সম্ভব হবে না।’

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘ব্রেকফাস্ট করার জন্য জামাই এবং তার ছেলে জায়ান চৌধুরী একটি হোটেলে পৌঁছেছিলেন। হোটেলের নিচেই আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে জায়ান নিহত হয়।’

জানা গেছে, শেখ সেলিমের ছেলে শেখ ফাহিম প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে ব্রুনাই গিয়েছিলেন। সেখান থেকে শ্রীলঙ্কা গেছেন। অপর ছেলে শেখ নাইম তার মাকে সঙ্গে নিয়ে শ্রীলঙ্কা পৌঁছেছেন।

এদিকে আগামীকাল জায়ান চৌধুরীর মরদেহ বাংলাদেশে আসবে বলে শেখ সেলিমের বাসা থেকে বের হয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানান।

উল্লেখ্য, রোববার শ্রীলঙ্কার স্থানীয় সময় সকালে ইস্টার সানডে উদযাপনের সময় কলম্বো ও এর আশপাশের বিভিন্ন গির্জা এবং হোটেলসহ অন্তত আটটি স্থাপনায় আকস্মিক বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। ভয়াবহ এই সন্ত্রাসী হামলায় এখন পর্যন্ত ২৯০ জনের নিহতের সংবাদ পাওয়া গেছে। এছাড়া আহত হয়েছেন কমপক্ষে পাঁচ শতাধিক। কলম্বোর একটি পাঁচতারকা হোটেলে দুই ছেলে ও স্বামীকে নিয়ে ছিলেন শেখ সেলিম এমপির মেয়ে শেখ আমেনা সুলতানা সোনিয়া। সেখানেই এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।

সূত্র: বিডি জার্নাল

দেশের আরো প্রতি মূর্হর্তের খবর জানুন এখানে

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *