জবাইয়ের আগে কসাইয়ের কাছে প্রাণভিক্ষা চাইছে মহিষ! (ভিডিও)

অবুঝ হলেও প্রাণ হারানোর ভয় মানুষের মত অনুভূত হয় চতুষ্পদী প্রাণীদেরও। এমনটাই প্রমাণিত হল মহিষের একটি ভিডিওতে যা এখন সোশ্যাল মিডিয়ার রীতিমতো ভাইরাল।

চীনের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে মর্মস্পর্শী এই ভিডিওটি তাৎক্ষণিক হাজার হাজার মানুষ দেখেন। এরপর পরই ভিডিওটি ৭ মিলিয়ন মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

ভিডিওতে দেখা গেছে, মহিষটিকে জবাইয়ের উদ্দেশে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন দু-তিনজন ব্যক্তি। পাশেই দাঁড় করানো একটি ট্রাকে করে একে নিয়ে যাওয়া হবে কসাইখানাতে। ব্যাপার বুঝে যায় হতভাগা মহিষটি। হাঁটু গেড়ে পথেই বসে পড়ে সে। তাকে সেখান থেকে জোরপূর্বক তুলতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কসাইরা। এ সময় মহিষটির ভঙ্গি দেখে মনে হয়, প্রাণ বাঁচতে কসাইদের কাছে মিনতি করছে সে। তার চোখ ছলছল করছে।

নেটিজেনদের কৌতূহল, শেষ পর্যন্ত কি মহিষটির এই করুণা ভিক্ষা কসাইদের মন ভিজিয়েছিল? প্রাণ রক্ষা পেয়েছিল তার?

ডেইলি মেইলসহ বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কসাইয়ের দয়ায় জবাইয়ের হাত থেকে অবশেষে রক্ষা পেয়েছে সেই মহিষ। ভাইরাল সেই ভিডিওর ঘটনাটি ঘটেছে রোববার চীনের গুয়াংডং প্রদেশের শান্টাউতে। মহিষকে জবাইয়ের আগেই নেট দুনিয়ায় ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় প্রাণে বেঁচে গেল মহিষটি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ভিডিওটি দেখার পর স্থানীয়দের অনেকেই ওই কসাইখানায় এসে ভিড় জমায় এবং মহিষটিকে না মারতে অনুরোধ জানায়। এরপরই একে জবাইয়ের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে যায় কসাইখানাটির কর্তৃপক্ষ।

পরে কসাইর ক্ষতির বিষয়টি মাথায় নিয়ে প্রায় তিন লাখ পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা তোলেন স্থানীয়রা। সেই টাকায় মহিষটিকে কসাইয়ের কাছ থেকে কিনে নেন তারা। এরপর তারা মহিষটিকে স্থানীয় একটি বৌদ্ধ মন্দিরে দান করে দেন। মন্দির কর্তৃপক্ষকে ওই মহিষটির ব্যয়ভার বহন করতে ৪ হাজার (৪৯ হাজার টাকা) ইউয়ান দেয়া হয়।

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, মহিষটি গর্ভবতী ছিল। শুধু নিজের জন্যে নয়, নিজের অনাগত সন্তানের জন্য বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করছিল সে।

আরো পড়তে পারেন:  লকডাউনের অবসরে উদ্দাম নাচে মাতালেন সায়ন্তিকা

মহিষের প্রাণভিক্ষা চাওয়ার ভিডিওটি দেখুন –

সূত্র: যুগান্তর

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

Loading...
আরো পড়তে পারেন:  মসজিদুল হারাম ও নববী খুলে দেয়ার খবরটি সঠিক নয় : হারামাইন কর্তৃপক্ষ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *