গণসংক্রমণ ঠেকাতে যদি চান…

 

আপনি যদি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দেশ থেকে বাংলাদেশে আসেন কিংবা আক্রান্তের সংস্পর্শে গিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে আপনার মাধ্যমে পরিবার এবং প্রতিবেশীদের মধ্যে ছড়ানোর ঝুঁকি অনেক বেশি। আপনি হতে পারেন গণসংক্রমণের একমাত্র কারণ। মানুষ হিসেবে আপনার দায়িত্ব নিজের এবং অন্যদের নিরাপত্তা দেওয়া। করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছে আমেরিকার সেন্টারস্‌ ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বিভাগ।

* যদি গত ১৪ দিনের মধ্যে ফিরে থাকেন তো অবশ্যই ঘরে থাকুন। কিংবা আপনার রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে চলে যান।

* কোয়ারেন্টাইনে থাকার যাবতীয় নিয়ম-কানুন মেনে চলুন।

* থার্মোমিটার দিয়ে প্রতিদিন একবার করে দেহের তাপমাত্রা মাপতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে কাশি বেশি হচ্ছে কিনা কিংবা শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে কিনা।

* শিক্ষার্থীরা স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবে না।

* চাকরিজীবীরা কাজে ফেরার আগে অফিস কর্তৃপক্ষকে জানান যে আপনি চীন বা কোনো আক্রান্ত দেশ থেকে ফিরেছেন।

* গণপরিবহন, এমনকি ট্যাক্সি বা রাইড-শেয়ার ব্যবহার এগিয়ে চলতে হবে।

* লোকসমাগম হয় এমন স্থান পরিত্যাগ করুন। হতে পারে শপিংমল বা মুভি থিয়েটার। মানুষের কাছে থাকতে হয় এমন যেকোনো কাজ বা স্থান পরিত্যাগ করতে হবে।

* অন্যদের থেকে অন্তত ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখা প্রয়োজন।

* যদি স্বাস্থ্যগত অন্যান্য সমস্যার কারণে ডাক্তার দেখাতে হয়, তবে চীন বা অন্য দেশ থেকে ফেরার তথ্যটি চিকিৎসককে দিন।

* যদি জ্বর, কাশি এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা জর্জরিত হন তাহলে কিছু করণীয় আছে। যেমন-

* প্রতিদিনের এসব পরীক্ষার রিপোর্টগুলো লিখে ফেলুন।

* কিংবা স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শমতো রিপোর্ট লিখতে থাকুন।

* যদি তাপমাত্রা ১০০.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হয় হবে কোয়ারেন্টাইনে থাকুন। মানুষের সঙ্গে মিশবেন না। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নম্বরে যোগাযোগ করুন। যদি না পারেন তো কোনো ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এ অবস্থায় আর ভ্রমণে যাবেন না। মুখ ও নাক মাস্ক বা টিস্যু দিয় ঢেকে রাখুন। কাশি হওয়ার সময় অবশ্যই মুখ টিস্যু বা রুমাল দিয়ে চেপে ধরুন। অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে দুই হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সাবান না থাকলে ৬০ থেকে ৯৫ শতাংশ অ্যালকোহল রয়েছে এমন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।

আরো পড়তে পারেন:  পাচার অপহরণে বাংলাদেশ-ভারতে ২০০ মিটার সুড়ঙ্গ

* তাপমাত্রা মাপতে হবে খাওয়া, পান এবং ব্যায়ামের আধাঘণ্টা পর।

* প্যারাসিটামল বা ইবুপ্রফেন বা অ্যাসপিরিনের মতো ওষুধ দেহের তাপমাত্রা কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে। কাজেই এসব ওষুধ খাওয়ার ৬ ঘণ্টা পর তাপমাত্রা মাপা উচিত।

* ডিজিটাল থার্মোমিটার হলে ডিজিটাল পর্দার কাছের বোতামটি চেপে চালু করুন।

* থার্মোমিটারের সরু অংশটি জিহ্বার নিচে রাখুন। এ অবস্থায় যন্ত্রটিকে কামড়ে ধরবেন না।

* পর্দায় তাপমাত্রা দেখাবে। যদি এটা ১০০.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হয় তো বুঝতে হবে আপনার জ্বর আছে।

* একটা বুকলেটে ১৪ দিনের তাপমাত্রা লিখে ফেলুন।

* এবার থার্মোমিটারটিকে সাবান ও পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

* মনে রাখতে হবে, বাড়ির ৪ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুর জ্বর মাপতে বয়স অনুযায়ী পৃথক থার্মোমিটার ব্যবহার করতে হবে।

সূত্র: সিডিসি, ইউএসএ, সূত্র: কালের কন্ঠ

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

DSA should be abolished
/ জাতীয়, সব খবর
Loading...
আরো পড়তে পারেন:  শ্মশানে হাজার হাজার দেহ পুড়ছে কাদের? কবরে এতো ভিড় কেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *