খানদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের দাবি ‘দাবাং’ পরিচালকের

 

বলিউড তারকা সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যার পর থেকেই সরগরম বলিউড অঙ্গন। সম্ভাবনাময় ওই অভিনেতার আত্মহননের পথ বেছে নেওয়ায় অভিযোগের আঙুল তোলা হচ্ছে বি-টাউনের অনেক রথী-মহারথীর দিকে। মুখ খুলতে শুরু করেছেন বঞ্চনার স্বীকার অনেকেই। বলিউড পরিচালক অভিনব কাশ্যপ এবার যেন সেই বিতর্কের আগুনে ঘি ঢাললেন।

ভারতের সংবাদমাধ্যম এবিপি আনন্দের প্রতিবেদনে জানা যায়, সম্প্রতি নিজের ক্যারিয়ার ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের দিকে অভিযোগ তাক করেন অভিনব। আর এর পর থেকেই বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁকে কটূক্তি করা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও এ ব্যাপারে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন অভিনব। তিনি জানান, সালমানের পক্ষ হয়ে অনেকেই নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করছেন তাঁকে। এতেই বোঝা যাচ্ছে, কেমন লোকেরা বলিউডের খানদের পছন্দ করেন। খানদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে পাঠানো উচিত বলেও মত দেন অভিনব। দেশভাগের সময় পাকিস্তানে যাওয়ার মতো অর্থ তাঁদের ছিল না বলেও মনে করেন এই পরিচালক।

আর একটি পোস্টে ‘দাবাং’ পরিচালক অভিযোগ করেন, তাঁর ই-মেইল আইডি হ্যাক করার চেষ্টা চলছে। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘খানেরা এত ঘাবড়ে গিয়েছে কেন? কী লুকাচ্ছে তাঁরা? কেন এভাবে আমার মুখ বন্ধের চেষ্টা করছে?’

অভিনব কাশ্যপের অভিযোগের উত্তরে এখনো মুখ খোলেননি সালমান। তবে এই সুপারস্টারের বাবা সেলিম খান ঠিকই জবাব দিয়েছেন। ‘হ্যাঁ, আমরাই তো সব শেষ করে দিয়েছি। আগে অভিনবের সিনেমা দেখুন, তারপর কথা বলব। নিজের বিবৃতিতেও আমার নাম উল্লেখ করেছে। মনে হয় ও আমার বাবার নাম জানে না। তাঁর নাম ছিল রশিদ খান। আমার পূর্বপুরুষের নামও ওর বলা উচিত। ওর যা ইচ্ছে বলুক, আমি তার পেছনে সময় নষ্ট করব না,’ বলেন সেলিম।

অনুরাগ কাশ্যপের ভাই অভিনব কাশ্যপ। তাঁর অভিযোগ, আরবাজ খানের জন্য ‘দাবাং টু’ ছবি থেকে সরে আসতে হয় তাঁকে। খান পরিবার চেষ্টা করেছিল তাঁর ক্যারিয়ার শেষ করে দিতে। শ্রী অষ্টবিনায়ক ফিল্মস তাঁকে দিয়ে পরিচালনা করানোর জন্য একটি ছবি স্বাক্ষর করায়। কিন্তু আরবাজ তাঁদের প্রধান রাজ মেহতাকে নিজে ফোন করে হুমকি দেন, ছবিটি তাঁকে দিলে ফল খুব খারাপ হবে। তাঁকে চুক্তির টাকা ফেরত দিতে হয়, তিনি যান ভায়াকম ফিল্মসে। সেখানেও ঘটে একই ঘটনা।

আরো পড়তে পারেন:  যে মসজিদে প্রতিদিন ৩০ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে ইফতার করানো হয় (ভিডিওসহ)

‘আমার শত্রুরা তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন, ধূর্ত। তারা সব সময় পেছন থেকে আক্রমণ করে লুকিয়ে পড়ে। কিন্তু দশ বছর এভাবে কাটার পর আমি এখন বুঝতে পেরেছি, আমার শত্রু  কারা। তারা হচ্ছেন সেলিম খান, সালমান খান, আরবাজ খান ও সোহেল খান। আরো অনেক ছোটখাটো লোক আছে, কিন্তু সালমান খানের পরিবার হলো এই বিষাক্ত সরীসৃপের মাথা। তাঁরা তাঁদের অন্যায়ভাবে রোজগার করা অর্থ, রাজনৈতিক যোগাযোগ আর আন্ডারওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ওঠাবসা কাজে লাগিয়ে সবাইকে ভয় দেখায়,’ বলেন অভিনব কাশ্যপ।

 

সূত্র: এনটিভি অনলাইন

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

Loading...
আরো পড়তে পারেন:  করোনা ভাইরাস: বাংলাদেশের চাকরি প্রত্যাশীদের সামনে যে ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *