কুড়িগ্রামে সাংবাদিককে দণ্ড-মারধর: এবার আরডিসি নাজিম ও দুই এডিসি প্রত্যাহার

 

কুড়িগ্রামে মধ্যরাতে সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে তুলে নিয়ে মারধর ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়ার ঘটনায় এবার আরডিসি (সিনিয়র সহকারী কমিশনার রাজস্ব) নাজিম উদ্দিনসহ তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

নাজিম উদ্দিন ছাড়া বাকি দুইজন হলেন- এডিসি (সহকারী কমিশনার) রিন্টু বিকাশ চাকমা ও এডিসি এস এম রাহাতুল ইসলাম।

সোমবার (১৬ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ প্রজ্ঞাপন জারি করে। সিনিয়র সহকারী সচিব কে এম আল-আমীনের স্বাক্ষর করা চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে রবিবার কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোছা. সুলতানা পারভীনকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে অবিলম্বে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

সাংবাদিক আরিফুল অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধি। তাকে গত শুক্রবার মধ্যরাতে ঘরের দরজা ভেঙে তুলে ডিসি অফিসে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। এরপর আধা বোতল মদ ও দেড়শ গ্রাম গাঁজা পাওয়ার অভিযোগ এনে ওই রাতেই তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়ে জেলে পাঠানো হয়।

রাতের বেলা এভাবে সাংবাদিককে বাড়ি থেকে তুলে এনে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেয়ার ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।

এদিকে সাংবাদিক আরিফুলকে রোববার জামিন দিয়েছেন কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুজাউদ্দৌলা। তবে এই জামিন চেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আবেদন করা হয়নি বা কোনো আইনজীবীও নিয়োগ দেয়া হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন একটি পুকুর সংস্কার করে নিজের নামে নামকরণ করতে চেয়েছিলেন। আরিফুল এ বিষয়ে নিউজ করার পর থেকেই তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন ডিসি। এছাড়া, সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে রিপোর্ট করতে চেয়েছিলেন সাংবাদিক আরিফ। এ বিষয়ে জানতে পেরে জেলা প্রশাসকের অফিস থেকে তাকে বেশ কয়েকবার ডেকে নিয়ে সতর্ক করা হয়।

 

আরো পড়তে পারেন:  অধিক উপকারী সহজ কিছু আমল

সূত্র: সময়য়ের কণ্ঠস্বর

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

Loading...
আরো পড়তে পারেন:  যে ৯ কারণে করোনাভাইরাসে আতঙ্ক নয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *