কাঁটা জড়ানো রড দিয়ে হামলা ভারতীয়দের ওপর হামলা চালিয়েছিল চীন!

 

সোমবার সন্ধ্যাবেলা পূর্ব লাদাখে চীন সেনার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় ভারতীয় বাহিনীর। মঙ্গলবারই ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, গালওয়ানে এই সংঘর্ষে ২০ জন জওয়ান নিহত হয়েছেন। এখন জানা গেছে, আরো চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে ভারতীয় সৈন্যরাও আচড় কেটেছে বিপক্ষেও। সূত্রে খবর, অন্তত ৪৫ জন চীনা সেনা মারা গেছে সংঘর্ষে। যদিও চীন স্বীকার করেনি।

কিন্তু কেন এমন ভয়ঙ্কর সংঘর্ষ শুরু হল হঠাৎ? ভারতের‌ এক সেনা অফিসার জানিয়েছেন সংঘর্ষের আসল কারণ। চীনের একটি ঘাঁটি নিয়েই বচসা শুরু হয় দু’‌পক্ষের। গালওয়ান নদীর দক্ষিণ তীরে একটি ঘাঁটি করে চীন সেনাবাহিনী অবস্থান শুরু করে। ওই অংশটি ‘‌বাফার জোন’‌ বা ‘‌নো ম্যানস ল্যান্ড’‌ এর অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ ভারত বা চীন কারো ভূখণ্ডেই পড়ে না। ভারতীয় সেনাসদস্যরা ঘাঁটি সরাতে বলে। আপত্তি জানায় চীন সেনা। সেই নিয়ে লড়াই বাঁধে।

ভারতীয় মিডিয়ার খবরে বলা হয়, এর পরই চীন সেনা হামলা চালায়। গালোয়ান উপত্যকায় এখনো হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রা। এই অবস্থায় ভারতীয় সেনাদের নদীতে ফেলে দেয়। তীব্র ঠান্ডায় মারা যান বহু সেনা সদস্য। পরে নদীতে তাদের লাশ ভেসে ওঠে। এখানেই থামেনি প্রতিপক্ষ। পাথর, রড নিয়ে আক্রমণ করে। রডে আবার প্যাচানো ছিল কাঁটা।

ভারতীয় মিডিয়ার খবর পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনাসদ্যরাও। অত উচ্চতায় অক্সিজেনের এমনিতেই অভাব থাকে। এই অবস্থায় হাতাহাতি করলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই হয়েছে দু’‌পক্ষের সেনার।

লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা ঘিরে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক দোষারোপ চলছিলই। সীমান্তের দুই পারে নিজেদের দিকে ভারত–চীন দু’‌জনেই সেনা মোতায়েন বাড়িয়েছিল। তাবলে এত হতাহত!‌

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অবশ্য এখনো বিবৃতি দিয়ে কারণ জানায়নি। চীন বারবার দাবি করেছে, ভারতীয় সেনা সদস্যই নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে চীন ভূখণ্ডে ঢুকে আক্রমণ চালিয়েছে। ভারত এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। জানিয়েছে, ‘‌চীনই একতরফা সীমান্তে স্থিতাবস্থা নষ্ট করেছে।’‌

আরো পড়তে পারেন:  আর লজ্জিত করবেন না আমার মেয়েটিকে প্লিজ: অনুতপ্ত সচিব

সূত্র : আজকাল, সূত্র: নয়া দিগন্ত

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

Loading...
আরো পড়তে পারেন:  করোনার ৭০ ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ চলছে, ৩টির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *