করোনা প্রতিরোধে ঘরে অবশ্যই রাখুন পাঁচ উপকরণ

সম্প্রতি খবর পাওয়া গেছে ভয়ংকর করোনাভাইরাস বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে তিনজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে। এই ভাইরাসের উৎপত্তিস্থান চীনের উহান শহর। প্রাণঘাতি ভাইরাস কোভিড-১৯ হাজারো মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। এখনো হাজারো মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত আছে।

বাংলাদেশের তাপমাত্রাও করোনা ছড়ানোর উপযোগী বলে জানিয়েছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। তাই দেশের নাগরিকদের এখনই সাবধান হওয়ার ও জীবনাচরণ পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

অতএব নিজেকে এবং পরিবারের সবাইকে এই প্রাণঘাতি ভাইরাস থেকে রক্ষা করতে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। নিজেদের একটু সচেতনতাই পারে আমাদের সবাইকে এই ভাইরাস থেকে রক্ষা করতে। তবে এর জন্য ঘরে অবশ্যই থাকা চাই পাঁচটি জরুরি উপকরণ। এছাড়া প্রতিদিন বাড়ি-ঘর ভালো মতো পরিষ্কার করাও প্রয়োজন। আসুন তবে জেনে নেয়া যাক এমন পাঁচটি স্বাস্থ্য উপকরণের কথা যেগুলো ঘরে থাকাটা খুব জরুরি-

জীবাণুনাশক হ্যান্ডওয়াশ

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বাসায় থাকা চাই জীবাণু নাশক হ্যান্ডওয়াশ। প্রতিবার খাবার রান্না বা তৈরি করার আগে ও পরে, খাবার খাওয়ার আগে ও পরে, বাথরুম ব্যাবহারের আগে ও পরে, বাইরে থেকে বাসায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই জীবাণু নাশক হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুতে হবে। টেপের পানি ছেড়ে রেখে হাতের তালু ও পিঠ কবজি পর্যন্ত ডলে ডলে ধুতে হবে। হাতের আঙ্গুল এবং নখ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে। এসব কাজ ছাড়াও জীবাণুনাশক হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধোয়ার প্রয়োজনীয়তা পড়তে পারে বারবার।

জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে

রান্নাঘরের পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখতে জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে ব্যবহার করুন। খাবার তৈরির আগে ও পরে জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে ব্যবহার করে রান্নাঘর পরিষ্কার করুন। যাতে কোনো রোগজীবাণু খাবারে ঢুকতে না পারে। রান্নাঘর ছাড়াও বাথরুম, লিভিং রুম, ডাইনিং রুম এবং বেডরুমও পরিষ্কার করুন জীবাণুনাশক ক্লিনিং স্প্রে দিয়ে।

আরো পড়তে পারেন:  কাজের বুয়াকে চুমু, শিল্পার হাতে স্বামীর মারধরের ভিডিও ভাইরাল

রাবার গ্লাভস

হাড়ি-পাতিল ধোয়া, টয়লেট পরিস্কার বা ধুলা-ময়লা পরিস্কার করা মতো গৃহস্থালি কাজের জন্য রাবার গ্লাভস ব্যবহার করুন। এতে জীবাণু ছড়াতে পারবে না।

বক্সড টিস্যু

বাড়ির প্রতিটি ঘরে অবশ্যই টিস্যু রাখুন। যাতে কাশি বা হাঁচির সময় হাত বাড়ালেই টিস্যু পাওয়া যায়।

ভেজা টিস্যু, হান্ড স্যানিটাইজার এবং পকেট টিস্যু

জীবাণুনাশক ভেজা টিস্যু এবং স্যানিটাইজার ঘরে বা বাইরেও ব্যবহার করা যায়। যখন সাবান বা পানি পাওয়া যাবে না, তখন এসব ব্যবহার করে জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

 

সূত্র: যুগান্তর

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

Loading...
আরো পড়তে পারেন:  ১৫ জুনের পরও সরকারি অফিস ‘সীমিত পরিসরে’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *