এরশাদ-পুত্র সাদ ও মেয়র মোস্তফার দ্বন্দ্বে টালমাটাল রংপুর জাতীয় পার্টি

 

প্রয়াত চেয়ারম্যান এরশাদের বাসভবন ‘পল্লীনিবাসে’ স্থানীয় এক নেতাকে মারপিট করে পুলিশে দেয়ার ঘটনায় জাতীয় পার্টির দূর্গ এখন টালমাটাল। এই ঘটনায় বাবার আসনে নির্বাচিত এমপি সাদ ও সিটি মেয়র মোস্তফার পাল্টাপাল্টি অবস্থানে বেরিয়ে এসেছে নেপথ্যের সরকারি ত্রাণ বণ্টন নিয়ে বিব্রতকর খবর।

করোনা সংকটের শুরুর দিকে ত্রাণের দাবিতে ঘেরাওয়ের কবলে পড়ে পল্লীনিবাস। এরপরই ঢাকা থেকে ফিরে এসে নিজের হাতেই ত্রাণ তৎপরতা শুরু করেন বাবার আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাদ এরশাদ। একই সময় সরকারি ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে দফায় দফায় ঘেরাও-বিক্ষোভের ধকল সামলাতে হয় সিটি মেয়র মোস্তফাকে। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাতে পল্লীনিবাসে দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে।

রংপুর-৩ সংসদ সদস্য রাহগীর আল মাহী সাদ এরশাদ বলেন, মেয়র তার লোকজনকে নিয়ে বাসার দরজা ভেঙে ঢুকেছে অস্ত্র নিয়ে।

মেয়র মোস্তাফিজার রহমান বলেন, আপনি জাতীয় পার্টির কর্মীকে ভাড়া করা গুন্ডা দিয়ে হেনস্থা করবেন, তাহলে তো আমার দল করার কোন কারণ নাই।

টিপু সুলতান নামে স্থানীয় ওই নেতাকে পুলিশে দেয়ার কারণ অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে ডিও লেটার আর শীর্ষ নেতাদের হিসাব নিকাশ।

এ নিয়ে কথা বলতে বিব্রত দলের শীর্ষ নেতা জিএম কাদের। সময় সংবাদের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কিছু জানতে চাইলে আমার প্রেস বিভাগের সাথে যোগাযোগ করো।

২৭ নম্বর ওয়ার্ড জাতীয় পার্টির সভাপতি টিপু সুলতানকে পুলিশে দেয়ার খবর পেয়ে মেয়র অস্ত্র নিয়ে পল্লীনিবাসে প্রবেশ করেন এবং তার লোকজনের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন সাদ ও তার স্ত্রী মাহিমা সাদ।

 

সূত্র: সময় নিউজ

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

Loading...
আরো পড়তে পারেন:  ভালোবেসে গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন ম্যারাডোনা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *