এক মায়ের কান্না, অতঃপর…

ঘড়ির কাঁটায় তখন সময় ২টার কাছাকাছি। তাড়াশ থানা চত্বরে বসে অঝোরে কাঁদছেন অশীতিপর এক বৃদ্ধা। ছুটে আসেন থানা ডিউটিরত কনেস্টেবল ও গণমাধ্যমকর্মী ও অভ্যাগতরা। কিন্তু বৃদ্ধার কান্না  থামছেই না। কথা বলতে গিয়ে গলা যেন কষ্টে বারবার আটকে যাচ্ছে।

বেশকিছু সময় অপেক্ষার পর জানা গেলো তার নাম মোসা. আয়েশা খাতুন (৯০), স্বামীর নাম মো. খলিল মুন্সি। বাড়ি তাড়াশ উপজেলার মাধাই নগর ইউনিয়নের জহাঙ্গীরগাঁতী গ্রামে। তার দুই ছেলে এক মেয়ে। বড় ছেলে আব্দুল করিম (৬০) বিএ পাস, অন্য দুই ছেলে মেয়েও শিক্ষিত। নাতি নাতনিরা চাকরিজীবী। তারপরও তার কপালে ভাত জোটে না। গত একদিন একরাত সে অভুক্ত। একমুঠো ভাতও জোটেনি। তাই তিনি তিন মাইল রাস্তা পায়ে হেঁটে লোকজনকে বলেকয়ে থানায় এসেছেন বিচার চাইতে।

তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে আরো জানান, বিয়ের পর আয়েশা খাতুন বাবার কাছ থেকে পেয়েছিলেন পাঁচ বিঘা জমি। স্বামীর কিছু জমিজমা ছিল। স্বামী-স্ত্রী মিলে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে তিলে তিলে জমি বাড়িয়েছেন প্রায় চল্লিশ বিঘা। সে সম্পত্তি দুইভাই ভাগ করে নিয়ে বাবা মাকে আর তারা ভাত-কাপড় দেয় না। তাদের কষ্টার্জিত সম্পত্তি ছেলেরা বিক্রি করে, বন্ধক রেখে বাবুর মতো চলে।

বুধবার বিকেলে আয়শা খাতুন সন্তানদের বকাঝকা করলে তার বড়ছেলের বউ গোকুল খাতুল (৫০) তাকে মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এর আগেও ছেলে ও ছেলের বউ তার গায়ে হাত তুলেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তার অভিযোগ শুনে তাড়াশ থানার ওসি মো. মাহবুবুল আলম তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠান ছেলে ও ছেলে-বউদের থানায় আনতে। তারপর…

 

সূত্র: কালেরকণ্ঠ

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

Loading...
আরো পড়তে পারেন:  ‘আওয়াজ শোনা যায়, আল্লাহু আকবার, ধরে ফেলেছি’ শাহেদকে গ্রেফতারের বর্ণনায় প্রত্যক্ষদর্শী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *