আমার সুখের সংসারে চোখ দিয়েন না : নওশীন(ভিডিও)

 

পপশিল্পী মিলা ও তার সাবেক স্বামী বৈমানিক পারভেজ সানজারি প্রসঙ্গ নিয়ে শোবিজ পাড়া এখন উত্তাল। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অভিনেত্রী নওশীনের নামটিও। এ নিয়ে মিডিয়া পাড়ায় চলছে আলোচনা-সমালোচনা। মিলা ও তিন্নিকে নিয়ে সম্প্রতি জাগো এফএম এ বিস্তারিত বললেন নওশীন।

তিনি বলেন, আমি যদি মিলা ও তিন্নির সংসার ভেঙ্গে ফেলি তাহলে আমার সংসারটা আমি কিভাবে করে যাচ্ছি। আমি যদি মিলার সংসার ভাঙতে চাইতাম, তাহলে আগে আমার সংসার ভাঙতে হবে। আমি মিডিয়ার মেয়ে হয়ে শোবিজের আরেকটি মেয়ের সংসার কীভাবে ভাঙব? বলতে গেলে ঝুলি আমিও ভরতে পারি তারাও ভরতে পারে। এতে লাভ কি হবে। অযাথা কাদা ছোড়াছুরি হয়ে আরেকজন অসন্মানিত হবে।

আমি চাই মিলা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক। গান-বাজনা করুক। একইসঙ্গে অবশ্যই সে সুবিচার পাবে আশা করছি। আমার পরিচিত শিল্পী হিসেবে তার ভালো হোক আমি চাই। আর আমি মিলার নামে সাইবার ক্রাইমে কোনো কিছু করিনি। তাকে অনেকবার বোঝানোর চেষ্টা করেছি। হিল্লোলও বোঝানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু আমরা ব্যর্থ হয়েছি। সে ভুল বুঝছে সেটা বোঝানোর ক্ষমতা আমাদের নেই। জানি তার ব্যক্তিজীবনে দুঃসময় চলছে। একটা মেয়ে এমনিই বিপদে আছে, আমার মামলার কারণে সে আরও বিপদে পড়বে ভেবে মামলা করিনি

তিন্নিকে উদ্দেশ্য করে নওশীন বলেন, ২০০৯ থেকে ২০১৯ এত দিন সে কোন কথা কেন বলেনি। হঠাৎ করে এত কথা কেন। আমি আসলে জানিনা এটা কেন। এর কারণ কি আমরা ভাল আছি তাই নাকি হিল্লোল ও আমার মাঝে কোন ঝামেল হচ্ছে না এই জন্য।

সম্প্রতি স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির অমানিক নির্যাতনের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন সংগীত তারকা মিলা ইসলাম। সেই সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার সাবেক স্বামী বৈমানিক পারভেজ সানজারির বিরুদ্ধে তাকে নির্যাতনসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। সেই সঙ্গে তার ডিভোর্সের পেছনে অভিনেত্রী নওশীনের সংশ্লিষ্ঠতাও তুলে ধরেন। সংগীত তারকা মিলার দাবি, নিজের সাবেক স্বামী বৈমানিক পারভেজ সানজারির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন নওশীন। এর ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে তার পুরনো সংসারে।

সূত্র: আমাদের সময়

বিনোদন জগতের প্রতি মূর্হর্তের খবর জানুন এখানে

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

আরো পড়তে পারেন:  দুটো আমলকিতেই মিটবে ভিটামিন 'সি'র চাহিদা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *