”আজ ভালো কিছু খবর দিয়ে দিনটি শুরু করি”

খুজিস্তা নূর-ই নাহরীন

 

১) চীনের উহানে আর নতুন কোন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী নেই। অর্থাৎ তাঁরা করোনাকে পরাস্ত করতে সক্ষম হয়েছে।

২) করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় জাপানে তৈরি একটি ইনফ্লুয়েঞ্জা ওষুধ পুরোপুরি কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেছে চীন। জাপানের ফাভিপিরাভির (favipiravir) নামের ওষুধটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে সম্প্রতি ওষুধটি উহান ও শেনঝেন অঞ্চলের অন্তত ৩৪০ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর শরীরে প্রয়োগ করা হয়।

৩) কিউবার আবিষ্কার ‘ইন্টারফেরন আলফা টু-বি’ ওষুধটিও করোনার ক্ষেত্রে কার্যকর বলা হচ্ছে।

৪ ) অ্যামেরিকান ডাক্তার এবং ভারতের ডাক্তার দেবী শেঠির মতে যাদের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বেশি অপেক্ষাকৃত তরুণ তাদের এমনিতেই সেরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৭ দিনের মধ্যে ।

৫) ভারতে দিল্লীর একজন ডাক্তার বলেছেন, দুটি ভিন্ন ধর্মী ওষুধের মাধ্যমে এই রোগকে প্রতিহিত করা সম্ভব।

৬ ) জার্মানি, কানাডা, অ্যামেরিকা হ উন্নত দেশগুলোতে রাত-দিন নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এই ওষুধ আবিষ্কারের। অনেকের ঘোষণাটুকু দেওয়ার অপেক্ষা।

৭) চীন থেকে অভিজ্ঞ চিকিৎসক দল বাংলাদেশে আসার প্রস্তুতি নিয়েছে।

৮) উন্নত দেশগুলো ইতিমধ্যেই যারা এই রোগ নিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তাঁরাও যথেষ্ট সাহায্য সহযোগিতা করবেন আশা করা যায়।

৯) এই রোগ যেহেতু রেস্পিরেটরি ডিসট্রেস বা শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা ঘটায় এই জন্য আজমা, হৃদরোগ কিডনিসহ জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং বয়োবৃদ্ধদের জন্য মারাত্মক হুমকি।

১০) জ্বর, সর্দি, কাশি গলা ব্যথা মানেই কিন্তু করোনা নয়, এগুলো এমনিতেই আমাদের দেশে সিজনাল রোগ। কিন্তু সঙ্গে শ্বাস কষ্ট, ডায়রিয়া কিংবা বমি হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে, করোনা টেস্ট করাতে হবে।

১১) সব দেশে সবাই বলছে যেহেতু রোগ প্রতিরোধক কোন ওষুধ বের হয়নি এই জন্য পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাসসহ শরীরচর্চার মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ রাখুন। সিগারেট এবং মাদক যা ফুসফুস এবং শরীরের জন্য ক্ষতিকর তা থেকে এই ক্রান্তিকালে বিরত থাকুন।

আরো পড়তে পারেন:  যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশ মানুৃষ হত্যা করলেও দোষী সাব্যস্ত হয় না কেন?

বিদেশ ফেরত রোগীদের মাধ্যমে যারা ইতিমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন আমাদের দেশে তাঁদের এই রোগ ছড়াতে আরও এক থেকে দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। সেই পর্যন্ত সময় আছে পরিচ্ছন্নতা কর্মী, নার্স, ডাক্তারদের পোশাকসহ, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, ভেন্টিলেটর, নেবুলাইজার সমস্ত যন্ত্রপাতি আমদানি করা কিংবা সংগ্রহে রাখা।

ইকমো (ECMO)। পুরো কথায় — “Extracorporeal Membrane Oxygenation” মানুষের শরীরে যখন হার্ট অথবা ফুসফুস কাজ করতে পারে না, তখন ইকমো অথবা ইসিএমও নামের এই মেশিনটির ব্যবহার অবশ্যম্ভাবী। করোনাভাইরাস আক্রান্ত বিশ্বের সবদেশেই এই মেশিন ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলাদেশে একমাত্র স্কয়ার হাসপাতালেই ECMO নামক মেশিনটা আছে। আর কোনো হাসপাতালে নেই। খুবই ব্যয়বহুল এই মেশিন অন্যান্য হাসপাতালগুলোর জন্য কেন কেনা হয়নি তা প্রশ্নের উদ্রেক করে।

অবশ্যই করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য আলাদা হাসপাতালের ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে করে অন্য রোগে ভর্তি হওয়া রোগীরা করোনায় আক্রান্ত না হতে পারে।

ইতালি, স্পেন, আমেরিকা, সৌদি আরব ফেরত রোগীরা মফঃস্বলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেয়ে আত্মীয়-স্বজনের সাথে আনন্দ ফুর্তিতে মেতে রোগ ছড়াচ্ছে তাদের আক্রান্ত হওয়ার আশংকা বেশি। কেবল ঢাকা শহর নয় অন্যান্য ছোট শহরগুলোতে করোনার জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা রাখা জরুরি।

সর্ব ক্ষমতার অধিকারী মহান আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রার্থনা তিনি আমাদের দোয়া কবুল করুন, আমাদের দেশসহ পৃথিবীর সকল দেশের রোগাক্রান্ত মানুষের প্রতি দয়াশীল হন, আমাদের ক্ষমা করুন।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক: সম্পাদক, পূর্ব পশ্চিম বিডি ডটকম

এই পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ফেইসবুক পেজটি লাইক দিন এবং এই রকম আরো খবরের এলার্ট পেতে থাকুন

 আরো পড়তে পারেন:  

DSA should be abolished
/ জাতীয়, সব খবর
Loading...
আরো পড়তে পারেন:  ২৮ অক্টোবর: টিভিতে আজকের খেলা সূচি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *